1. admin@nayajugantor.com : admin :
west end high school এর সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র আফফান এর সাইন্স ফিকশন" আধুনিক সময় - নয়া যুগান্তর
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন

west end high school এর সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র আফফান এর সাইন্স ফিকশন” আধুনিক সময়

শাহীন আলম শেখ
  • Update Time : শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩২৩ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমার সাথে একদিন একটা আজগুবি ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি হচ্ছে, আমি স্কুল থেকে বারিতে এসে হাত পা ধুয়ে বিশ্রাম করছিলাম। তারপর আমি খেলতে যাই। মা বলল,, যাস না। বিশ্রাম কর।আমি বললাম,,মা একটু যেতে দাও,একটু পরে চলে আসব।মা বলল ঠিক আছে যা তাহলে।আমি আমার মনের আনন্দে নাচতে নাচতে চলে গেলাম।গিয়ে দেখি আমার কোনো বন্ধু এখন ও আসে নি।কিছু সময় পরে সবাই চলে আসল।একজন বলে ক্রিকেট খেলবে আরেকজন বলে ফুটবল খেলবে।এর মধ্যে আমি বললাম লটারির মাধ্যমে বিবেচনা করা হোক। লটারি করার পর খেলাটি আসলো ফুটবল।অনেকখন খেললাম।এর মধ্যে আমার বন্ধু রনির পা কেটে গেল।তখন সবাই কেন যানি ওর থেকে দূরে চলে গেল।তারপর আমি ওকে কাধে উঠিয়ে ডাক্তার এর কাছে নিয়ে গেলাম।এখন টাকা দেওয়ার সময়।১০০ টাকা লাগবে।কিন্তু আম্র কাছে ৫০ টাকা আছে। পরে ও বলল ” কি হয়েছে বন্ধু?” “আমি বললাম তোর কাছে কি ১০০ টাকা আছে?” রনি বলল ” ৫০ টাকা আছে।আমি বললাম দে।”তারপর আমি ডাক্তার কে টাকা দিয়ে দিলাম।ডাক্তার সাহেব আমাকে একটা উপহার দিল।উপহারটি হচ্ছে একটি রোবট।রোবটটি নিয়ে বন্ধুকে নিয়ে চলে গেলাম মাঠে।গিয়ে দেখি সবাই ফুটবল খেলছে।আমি বললাম খেলা বন্ধ কর।কেউ আমার কথার দাম দিল না।আমি বললাম” আমি খেলব।” ওরা সবাই দারিয়ে গেল এবং বলল তুই রনির সাথে খেল।আমাদের সাথে আসিস না।রনির চামচা।এ কথা বলার পর আমার আর ওর কথা কাটাকাটি লেগে যায়। এক সময় মারামারি লেগে যায়। পরে রনি থামিয়ে দেয়।আমি বারিতে চলে যাই।তারপর মাও বকা দিল। কারন আমই আধা ঘন্টার কথা বলে এক ঘন্টা কাটিয়ে এসেছি। পরে কান্না করতে করতে বিছানায় গেলাম। আর হটাৎ ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুমিয়ে সপ্নে দেখি আমার আর ওর রোবট মারামারি করছে।ভালোভাবে লক্ষ করে দেখি এটি একটি প্রতিযোগিতা হচ্ছে।রোবট গুলো খুব ভালোভাবে মারামারি করছিল।আর এক সময় আমি প্রতিযোগিতাটি জিতে যাই।তারপর আমি খুশি হয়ে সপ্নতেই রোবট বানানো শুরু করি।তারপরে আমি রোবট দিয়ে সব কাজ করালাম।তারপর আমি আর রোবট বানালাম।যারা ব্যবসা-বানিজ্য করে তাদের কাছে বিক্রি করলাম।তারপর সেই রোবট সব করে দিচ্ছে।এক সময় এমন একটি রোবট বানালাম য পৃথিবির সব কাজ করতে পারে।যেগুলো বিশেষ রোবট সেগুলো আমার দেশের জন্য রেখে দিলাম।পরে আস্তে আস্তে আমি আমার দেশকে আধুনিক করে দিলাম।ঘরে ঘরে রোবট।পরে আমি বিদেশে রপ্তানি করি।যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক দিক মজবুত করি।পরে দেখি সরকার আমাকে নোবেল দিচ্ছে,এবং আমার নাম করন করলেন “The Gerat Scientists Affan.” আমি খুশিতে আত্মহারা। আমি যেখানে নোবেল পাচ্ছিলাম সেখানে পৃথিবির সকল বিজ্ঞানি একসাথে ছিল।সেখানে সবাই আমাকে মহান বিজ্ঞানি বলছিল।আমার নাম দিয়ে স্কুল কলেজ হাসপাতাল এমনকি দশ হাজার পৃষ্ঠার একটি বই ও ছাপা হয়।যা আমার এই দেশের জন্য একটি গৌরবের বিষয়। পরে রোবট কিভাবে বানাতে হয় সেই বিষয়ের একটি বই ও ছাপা হয়। পরে বই পরতে পরতে আমার ঘুম ভেঙে গেল, আর এইখানেই সব শেষ হয়ে গেল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 নয়া যুগান্তর
Theme Customized BY WooHostBD